ইরফান খান: ৩৫ বছরের কর্মজীবনে তিনি ৫০টি চলচ্চিত্রে অভিনয় করেছেন

ডার্ককের সিজন ১ শুরুরদিকে কিছুটা ধীরে ধীরে চলতে থাকলেও পরে আসক্ত হওয়ার মতো সম্ভাবনা আছে ।(যেমন এখন আমার অবস্থা) কিছু ওভারল্যাপ আছে,তবে এটা বেশিরভাগ ক্ষেত্রে মথা ঘুরিয়ে দেয়। সিরিজটা শুরু হয় দুইটি ছেলের রহস্যজনক অন্তর্ধানের(নিখোঁজ) সাথে ।

ডার্ক সিরিজে , আলবার্ট আইনস্টাইনের একটি উক্তি এবং সময়ের সাথে প্রকৃতির সম্পর্ক একটি কঙ্করিত ভয়েসওভারের সাথে মিল আছে , এটা 1987 সালের স্প্যানিশ এবং অদূর ভবিষ্যত 2019-এর অর্ধেক গল্প। স্টিভেন স্পিলবার্গ, স্টিফেন কিং, জন কার্পেন্টার, নস্টালজিক নিজের সেরাটা দিয়েছেন ।

অন্যদিকে ফরাসি হেড স্ক্র্যাচার দ্য রিটার্নডের, মরিচী এর অভিনয় ছিল চোখে পরার মত হা 😲হয়ে যাবেন । এছাড়াও ডেভিড লিঞ্চের টুইন পিকসের ঝালক রয়েছে – এটাই মেইন। 😁

ইচিং-বিচিং সিন আছে তাই একা দেখলেই ভালো

স্থান : উইন্ডেন নামক একটি কাল্পনিক শহর, এটি রহস্য আর মিথ্যা নিয়ে জাগ্রত একটি জায়গা (প্রথম দুটি পর্ব আসলে ‘সিক্রেটস’ আর ‘মিথ্যা’ বলা হয়) কিশোর জোনাস (লুই হফম্যান) তার বাবার আত্মহত্যার দু’মাস পরে স্কুলে ফিরেছেন।

তার প্রেমিকা এখন তার সবচেয়ে ভাল বন্ধুর সাথে আর তাঁর মা স্থানীয় পুলিশ প্রধানের সাথে সম্পর্কে জরিয়ে পরেছে ।একদিন জোনাস এবং তার বন্ধুরা আর মিক্কেল এরিকের গাঁজার সন্ধানে যায়, যা সে এক গুহায় লুকিয়ে রাখেছিল, মিক্কেল পিছনে পড়ে যায় এবং তারপরে সে নিখোঁজ হয়ে যায় ।

১৯৮৬ আর ২০১৯ সালে শহরে অদ্ভুত ঘটনা হয় ভেড়া আর পাখি মারা যায় আর পাওয়া যায় এক ছেলের মৃতদেহ, যাকে কেউ চিনতে পারে না তার চোখ পুড়িয়ে ফেলা হয়েছে এবং তার কান ফেটে গেছে আশির দশকের ওয়াকম্যান তার কাছে আছে । এদিকে জোনাস পৌঁছে যায় নামহীন অচেনা শহরে যেখনে সে দেয়ালে দেয়ালে শিরোনাম দেখতে পায় “এরিক কোথায়?”।

বলতে গেলে সুস্বাদু সময় বেঁধে দেওয়া মাইন্ড-মেসিং ধাঁধা হলো ডার্ক

নিখোঁজ হওয়ার ঘটনা 33 বছর আগেই হয়ে ছিল। একটি জমিতে মৃত ভেরার পাওয়া গেছে (রহস্যজনক ছেলের মতো, তাদের কানের পর্দাও ফেটেগেছে)। 🧐 সবাই কিছু মিলিয়ে যদি চিন্তা করতে গেলে মাথা ঘুরে যায় সিজন-২ দেখে পরে বুঝতে পারবো কি হলো এখন আর আমার মাথায় খেলছে না 😞।

Series Name: Dark

⭕🔰Season 1 (1-10)
🔰 0⃣1⃣ Secrets
(IMDd renting 8.3/10)
🔰0⃣2⃣ Lies
(IMDd renting 8.2/10)
🔰0⃣3⃣ Past and Present
(IMDd renting 8.7/10 )
🔰0⃣4⃣Double Lives
(IMDd renting 8.3/10 )
🔰0⃣5⃣Truths
(IMDd renting 9/10 )
🔰0⃣6⃣Sic Mundus Creatus Est
(IMDd renting 9.1/10)
🔰0⃣7⃣Crossroads
(IMDd renting 8.8/10)
🔰0⃣8⃣As You Sow, so You Shall Reap
(IMDd renting 9.2/10)
🔰0⃣9⃣ Everything Is Now
(IMDd renting 8.8/10 )
🔰1⃣0⃣Alpha and Omega
(IMDd renting 9.2/10)

আজকের এই দিনে আপনাকে অনেক অনেক মিস করতেছি। আজকের এই দিনে দুনিয়ায় এসেছিলেন আপনি। কিন্তু বিধাতার ডাকে আপনি আজ আমাদের মাঝে নেই।

ইরফান খান ছিলেন একজন ভারতীয় চলচ্চিত্র অভিনেতা। ভারতীয় চলচ্চিত্র জগতে তিনি তার অতুলনীয় ও অকল্পনীয় সহজাত অভিনয় ক্ষমতার জন্য পরিচিত। বলিউড, ব্রিটিশ ভারতীয়, হলিউড এবং একটি তেলুগু চলচ্চিত্রে তিনি কাজ করছেন।

৩৫ বছরের কর্মজীবনে তিনি ৫০টির অধিক দেশীয় চলচ্চিত্রে অভিনয় করেছেন, এবং শ্রেষ্ঠ অভিনেতা বিভাগে জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার ও চারটি ফিল্মফেয়ার পুরস্কার-সহ অসংখ্য পুরস্কার অর্জন করেছেন।

চলচ্চিত্র সমালোচক, সমসাময়িক অভিনয়শিল্পী ও অন্যান্য বিশেষজ্ঞরা তাকে ভারতীয় চলচ্চিত্রের অন্যতম শ্রেষ্ঠ অভিনয়শিল্পী বলে গণ্য করে থাকেন। ২০১১ সালে ভারত সরকার তাকে ভারতের চতুর্থ সর্বোচ্চ বেসামরিক সম্মাননা পদ্মশ্রীতে ভূষিত করে।

পরপারে ভালো থাকবেন প্রিয় অভিনেতা

শুভ ৬৪ তম জন্মদিন, রীনা রায়। রীনা রায় বলিউডের সত্তর ও আশির দশকের ব্যস্ত অভিনেত্রী। আশির দশকে যিনি অভিনয় থেকে বিরতি নেন এবং নব্বই দশক এ ফিরে আসেন। তবে কয়েকটি মুভি করেই আবার আড়ালে চলে যান।

জন্মদিনে জেনে নেয়া যাক রীনা রায় এর সম্পর্কে কিছু তথ্য-

১) রীনা রায়,
যার পারিবারিক নাম সারা আলী খান, যিনি জন্মেছিলেন এক মুসলিম বাবা ও হিন্দু মায়ের সংসারে। ৪ সন্তানের জন্মের পর তার পিতা মাতা আলাদা হয়ে যান।

২) পরিবারকে আর্থিকভাবে সাহায্য করার জন্য রীনাকে খুব অল্প বয়সেই সিনেমায় নাম লিখাতে হয়।
তার ক্যারিয়ার শুরু হবার কথা ছিল
“নয়া দুনিয়া নয়া লোগ” মুভি দিয়ে। কিন্তু সাময়িক ভাবে মুভির শ্যুটিং থেমে যায়। পরে পরিচালক বি আর ইশারা তাকে বিজয় অরোরার বিপরীতে “জরুরত ” সিনেমায় সুযোগ দেন।

৩) ১৯৭৭ সালে তিনি “আপনাপান ” মুভির জন্য সেরা পার্শ্ব অভিনেত্রীর ফিল্মফেয়ার পুরস্কার পান।
এছাড়াও ১৯৭৬ সালে ” নাগিন” মুভির জন্য ও ১৯৮০ সালে ” আশা” মুভির জন্য তিনি সেরা অভিনেত্রীর ফিল্মফেয়ার নমিনেশন পান।

৪) তার বহুল আলোচিত সম্পর্ক ছিল শত্রুঘ্ন সিনহার সাথে। তারা জুটি বেধে ১৬ টি মুভি করেন এবং তার মধ্যে ৯ টিই হিট হয়। ১৯৮১ সালে শত্রুঘ্ন পুনমকে বিয়ে করে সেই সম্পর্কের ইতি টানেন।

৫) ১৯৮৩ সালে তার ক্যারিয়ারের মধ্যগগন এ তিনি পাকিস্তানী ক্রিকেটার মহসিন খানকে বিয়ে করে চলচ্চিত্র কে বিদায় জানান। কিন্তু তাদের বিয়ের পরিনতি ডিভোর্স এ গড়ায়। সন্তানের কাস্টোডী নিয়ে দুজনেই আদালতে যান কিন্তু রীনা সন্তানের কাস্টোডী লাভ করেন।

৬) ১৯৯৩ সালে ” আদমী খিলোনা হ্যায়” মুভি দিয়েও ফিরে আসলেও সেই ফিরে আসা সফল ছিল না। রাজকুমার, জিও শান সে ” মুভিগুলো ফ্লপ করলে রীনা আর চলচ্চিত্রে নিয়মিত হননি।

জন্মদিনে রইল রীনা রায়ের জন্য শুভকামনা

২০১১, Fern নিজের চাকরি হারায় নেভাদায় জিপসাম প্লাট বন্ধ হয়ে যাওয়াতে। এই কোম্পানিতে সে ও তার সদ্য মৃত স্বামী বছরের পর বছর কাজ করেছিল। এখন ফার্ন নিজের অধিকাংশ জিনিসপাতি বিক্রি করে একটি RV ভ্যান কিনে ফেলে।

না, ওয়াল্টার ওয়াইট এবং জেসির মতো নীল মশলা তৈরির জন্য নয়। নিজের বাকি জীবন এই ভ্যানেই কাটিয়ে দেয়ার জন্য। আর আর্থিকভাবে স্বচ্ছল থাকতে পার্টটাইম চাকরি নিয়মিতই করছে। এমন সাধারণ কাহিনীকেন্দ্রিক মুভি পরবর্তীতে অনন্য উচ্চতায় পর্দাপন করে, যখন ফার্ন ভ্যান নিয়ে বিভিন্ন জায়গায় ঘোরাঘুরি শুরু করে।

প্রতিদিন তার মতো মানুষের সাথে পরিচিত হয়ে, তাদের জীবনের গল্প শুনে সময়টা ভালোই কাটতে আরম্ভ করে। মাঝেমধ্যে নিজের জীবনকেও সে উপলব্ধি করতে শুরু করে যে, সারাজীবন সে কি করেছে এবং সেগুলোর মাহাত্ম্য কতটুকু। তার পথচলা যেন কিশোর কুমারের সেই গান, ‘Zindegi Ek Safar’ এর মতোই। কালকের

খবর রাখার কে আছে! এছাড়া, মুভিতে ব্যবহৃত ইতালিয়ান পিয়ানোবাদক Ludovico Einaudi’এর কম্পোজ করা ‘Seven Days Walking’ মিউজিকটাও খাপেখাপ খেয়েছে প্রতিটা পরিস্থিতির সাথে। তাছাড়া, বিশেষ করে ফার্ন চরিত্রটির সঙ্গে আপনি যুক্ত হতে পারবেন। যেটা বিশাল প্রভাব ফেলেছে মুভিটির দারুণ রাইটিং এর বদৌলতে।

Tiff’ এ পুরস্কার জেতার পর থেকেই ‘Nomadland’ ক্রিটিকস থেকে একের পর এক ভূয়সী প্রশংসা কুড়িয়েই যাচ্ছে। দর্শকমহলে সহজে পৌঁছালে তা আরো খ্যাতি অর্জন করবে এটা নিশ্চিত। অস্কারে এই বছরের অন্যতম প্রার্থী এই মুভি। Best Picture, Lead Actress, Screenplay, Director এবং Cinematography তে ভালোই টক্কর দিতে পারবে। যদি ইতোমধ্যে কেউ মুভিটি দেখে থাকেন, তাহলে মতামত জানাবেন।

একজন ইরফান খান –

জয়পুর, রাজস্থান; ১৯৬৭ সালের আজকের এই দিনে ৭ জানুয়ারি এক মুসলিম পাঠান পরিবারের ঘর আলো করে জন্ম নিল এক পুত্র সন্তান, নাম রাখা হল শাহাবজাদে ইরফান আলী খান।

তার কথা বলতে গেলে শেষ হওয়ার নয়, বলিউডে তিনি আমার সবচেয়ে পছন্দের অভিনেতা ছিলেন আছেন এবং হয়তো থাকবেন। তার অভিনয় এমন হয় যে তাতে ডুবে যাওয়া যায়, হারিয়ে যাওয়া যায় তার কথা ও মুখভঙ্গিতে। আজ তার জন্মদিন তাই আমার কাছে অনেক বেশি বিশেষ।

তার করা সিনেমাগুলোর মধ্যে আমার সবচেয়ে ভালো লাগার ১০ টি সিনেমার নাম নিচে দিচ্ছি দেখে নিতে পারেন যদিও তার সিনেমা মাত্র ১০ টির নাম বলা আমার পক্ষে খুবই কষ্টকর।

1. Life of Pi
2. Blackmail
3. Madaari
4. Paan sing Tomar
5. Hindi medium
6. Piku
7. Karwaan
8. The lunch box
9. Talvar
10. Qarib Qarib Single

২০১৮ সালে তিনি নিউরো এন্ডোক্রিন টিউমারে আক্রান্ত হয়ে চিকিৎসা নেন। সুস্থ্য হয়ে ফিরে এসে তিনি আংরেজি মিডিয়াম চলচ্চিত্রে অভিনয় করেন। কিন্তু পুনরায় মলাশয়ের ক্যান্সারের জটিলতায় তিনি ২০২০ সালের ২৯শে এপ্রিল ৫৩ বছর বয়সে মৃত্যুবরণ করেন।

Add a Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *