সেই ভাইকিংদের গল্পটাই বলা হয়েছে Vikings সিরিজটিতে

Great shows end with great disappointment. Vikings! ইতিহাস নিয়ে একটু ঘাঁটাঘাটি করা মানুষজন এই শব্দটার সাথে অনেকটাই পরিচিত। হ্যা,বলছি ইতিহাসের সবচাইতে কুখ্যাত জলদস্যুদের কথা।

যাদের বলা হতো ভাইকিং। স্ক্যান্ডিনেভিয়া অঞ্চলের একটি বিশাল সংখ্যালঘু গোষ্ঠী তাদের অবস্থার উন্নতির জন্য মাতৃভূমি ত্যাগ করে এবং সমুদ্র তীরবর্তী অঞ্চলে বসবাস শুরু করে। সমুদ্র সৈকতে বসতি স্থাপনকারী, জীবিকার তাগিদে অনবরতভাবে যুদ্ধে লিপ্ত এসব মানুষরাই ভাইকিং নামে পরিচিত ছিলো।

তাদের মূল বাসস্থান ছিলো মূলত নরওয়ে,ডেনমার্ক আর সুইডেনের সমুদ্র তীরবর্তী অঞ্চলে। ভাইকিংরা লম্বা একটা সময় গোটা ইউরোপ দপিয়ে বেড়িয়েছে। ইতিহাস তাদের ভালো এবং খারাপ উভয়ভাবেই উপস্থাপন করে আসছে। তাদের কাজগুলো ছিলো খুবি নিকৃষ্টতর।

ভাইকিং ও তার ছেলেদের দুঃসাহসিক অভিযান নিয়ে

কিন্তু যখন কথা আসে বীরত্বের, তখন ভাইকিংদের নাম থাককতো প্রথম সারিতে। গল্পটা কাল্পনিক হলেও লেখক ভাইকিংদের ইতিহাস থেকে অনেক কিছুই তুলে ধরার চেষ্টা করেছেন।

প্লটঃ (স্পয়লারহীন) গল্পটা একজন কৃষক র‍্যাগনার লোথব্রক ও তার ছেলেদের দুঃসাহসিক অভিযান নিয়ে। গল্পটা একজন সাধারণ কৃষক থেকে এমন একজন হয়ে উঠা যাকে প্রজন্মের সকলেই সেরা মানে এমন একজনকে নিয়ে।

র‍্যাগনারের সবসময় স্বপ্ন ছিলো এমন একটা উর্বর জমি খুজে বের করা যেখানে সবকিছুই চাষাবাদ করা যাবে। ভাইকিং যোদ্ধারা সমুদ্রপথে যাত্রা করে আশেপাশে থাকা অন্যান্য দেশগুলো লুটপাট করতো। কিন্তু তাদের মধ্য কেউ কখনও সমুদ্রের পশ্চিমে যাত্রা করেনি।

র‍্যাগনার লোথব্রক ঠিক করলো পশ্চিমে যাত্রা করবে। কিন্তু রাজা তাকে পশ্চিমে যাত্রা করার অনুমতি দিলো না। কারণ পশ্চিমের যাত্রা ছিলো সম্পূর্ণভাবে অনিশ্চিত। তারা কখনও ফিরে আসতে পারবে কি না অথবা আধো সেখানে কোনো ভূমি আছি কি না তা তাদের জানা ছিলো না।

র‍্যাগনার তার বন্ধু ফ্লোকির সাহায্য নিয়ে একটি জাহাজ তৈরি করে বিশ্বস্ত একদল যোদ্ধাদের সাথে নিয়ে বেরিয়ে পরলো পশ্চিমের উদ্দেশ্যে। এবং আবিস্কার করে বসলো ইংল্যান্ড। সেখান থেকেই তার যাত্রার শুরু। Vikings সিরিজটিতে নর্থ মিথোলজিতে অনেক বেশি গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে।

নর্থ মিথোলজি এসেছে এই ভাইকিংদের হাত ধরেই। সিরিজটির সবচাইতে বেশি ভালো লেগেছে এর প্রতিটি মেইনস্ট্রীম ক্যারেক্টারের ক্যারেক্টার ডেভেলপমেন্ট। অনেক ফাস্ট ফরোয়ার্ড একটি সিরিজ। কিন্তু ওইযে, “Great shows end with great disappointment” আমরা সেরা টিভি শো গুলার হয়তো সেরা কিছু এন্ডিং আশা করি। কিন্তু সবসময় হয়তো তা পাওয়া যায় না।

Vikings এর প্রথম ৪ টা সিজন দেখে বিনা হিসেবে বলে দিতে পারবেন, “One of the Best show ever” কিন্তু শেষের ২ টা সিজন আর ফিনিশিং দিয়ে সিরিজটাকে একেবারে আধমরা করে দিয়েছে। তারপরও আমার দেখা সেরা একটি টিভি সিরিজ Vikings. হিস্টোরিকাল ড্রামা,এডভেঞ্চার এবং একশন প্রেমিদের অবশ্যই ভালো লাগবে।

সে ছিলো বিমান বাহিনীর গুরুত্বপূর্ণ সদস্য

দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধে আমেরিকান আর্মির হয়ে যুদ্ধ অংশ নিয়েছিলেন অলিম্পিক এ স্বর্ণ পদক জয়ী অ্যাথলেট লুইস জ্যাম্পেরিনি। স্বপ্ন ছিলো পরবর্তী টোকিও অলিম্পিকে ভালো কিছু করার।কিন্তু যুদ্ধ খেলার মাঠ থেকে তাকে টেনে আনল রণাঙ্গনে। এইবার যুদ্ধ এ নিষ্ঠুর বাস্তবতার মুখোমুখি হয় সে।

মাঝসমূদ্রে ভূপাতিত হয় বিমান।এরপর উত্তাল সমূদ্রের বুকে নিষ্ঠুর প্রকৃতির সাথে লড়াই করে বেঁচে থাকা তারপর জাপানি আর্মিদের হাতে বন্দী হয়ে জাপানি আর্মিদের ক্যাম্পে অমানবিক অত্যাচার সহ্য করা।কেমন ছিলো স্পোর্টস ট্রাক থেকে রণাঙ্গনে নাম লিখানো সেই সৈনিকের দিনগুলি এবং কি হয়েছিল তাঁর শেষ পরিণতি, এসব জানতে আপনাদের দেখতে হবে এই সিনেমা টি।

এই সিনেমাটির দুটি অংশ।একটা অংশে উত্তাল সমূদ্রের বুকে একদল হাল না ছাড়া মানুষের টিকে থাকার লড়াই এর চিত্র এবং আরেকটা অংশে শত্রুর নিষ্ঠুর অত্যাচার সহ্য করা একজন দৃঢ় মনোবলের মানুষের গল্প।পুরোটা সময় জুরে আপনাকে মনমোগ্ধ করে থাকবে একজন ক্রীড়াবিদ এর দৃঢ় মনোবল, হার না মানা লড়াই।এই চরিত্রটিকে নিবেদনের সাথে উপস্থাপন করেছে জ্যাক ও কোনেল।

এর নির্মাণশৈলীও ছিলো চমৎকার। মাঝ সমূদ্রের একদল যুবক এর টিকে থাকার লড়াই কিংবা জাপানি আর্মিদের বন্দীশিবির এমনকি এখানে দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের আমেরিকার বোমা হামলার পর বিধ্বস্ত জাপানের চিত্রও উপস্থাপন করা হয়েছে।

এই সিনেমাটি দেখলে আপনি বিশ্বযুদ্ধের সেই সময়কার একটা চিত্র, একজন স্পোর্টসম্যানকে ঘিরে চলা বিশ্ব রাজনীতি আর একজন স্পোর্টসম্যানের দৃঢ় মনোবল এই সব কিছু উপভোগ করবেন।শেষ এর দিকে শান্তির বার্তাও আছে এখানে।চিত্তকে আনন্দ দেওয়ার মতো একটা প্যাকেজ

The World of the married ২০২০ সালের সবচেয়ে খতরনাক ড্রামা এটি

এই ড্রামাতে এক দম্পত্তি শুখে শান্তিতে বসবাস করতে লাগল। রুপকথার এই ফাকাবলি বাস্তব জীবনে কতটা মিথ্যা চোখে আঙ্গুল দিয়ে দেখিয়ে দিবে। ২০২০ সালের সবচেয়ে বেশি রেটিং এই ড্রামাটি।

ধোকা, পরকিয়া, প্রেম আর বিশ্বাসঘাতকরার বাস্তব গল্প। বিশ্বাসঘাতার এই ড্রামাটি দেখার সময় আপনার রক্ত গরম হয়ে উঠবে। আবার হয়ত আপনি মনে মনে বিয়ে না করার চিন্তাও করে ফেলবেন।

প্রচন্ড সন্দেহ আর কিম হে এর অসাধারণ অভিনয় আপনাকে চুম্বকের মত টানবে স্কিনের সামনে।
কোরিয়া তথা বিশ্ববেপী জনপ্রিয়তা লাভ করেছে এই ড্রামা। বিগত সকল রেকর্ড ভেঙে ২২% টিভি রেটিং ড্রামাটি দেখে কঠিন বাস্তবতা জঠকায় আপনি প্রস্তাবেন নাহ মোটেও। আর এখনও অবিবাহিত বা সিঙেল থাকলে বিয়ের বা প্রেম করার শখ এখানেই শেষ😁

  1. 🍀 (Spoiler Alert)
  2. ☘️Movie: “Tomake chai” (তোমাকে চাই)
  3. ☘️Director: Motin Rahman
  4. 🍀Cast: Shabnur, Salman Shah
  5. ☘️Genre: Drama/Family/Romance
  6. ☘️Language: Bengali
  7. ☘️Personal Rating: 9/10
  8. 🍀 Story Rating: 7/10

উচ্চবিত্ত পরিবারের ছেলে আকাশ বাবা-মায়ের একমাত্র সন্তান! পড়ালেখার সুবাদে সে শিক্ষক রহমান সাহেবের নিকট প্রাইভেট পড়তে যায়! সেখানে গিয়ে দেখা হয় নদীর সাথে, যার সাথে পূর্বে বিভিন্ন সময় বিভিন্নভাবে তার দেখা হয়েছিল!

অতঃপর ঘটনাক্রমে তারা প্রণয়ে জড়িয়ে যায়! তারপর নানা ঘাত প্রতিঘাত পেরিয়ে মিলন হয় তাদের! এখনকার প্রেক্ষাপট বিবেচনা করলে গল্পটি খুব সাধারণ! – কিন্তু তবুও তা দেখতে ভাল লাগে সালমান শাহ আর শাবনূরের দুর্দান্ত রসায়নের জন্য!

সালমান শাহ আর শাবনূরের দুর্দান্ত রসায়ন

চমৎকার সংলাপের সাথে তাদের রোমান্টিকতা, চঞ্চলতা, দুজনের প্রকাশভঙ্গি এক কথায় অনবদ্য! সিনেমাটি মুক্তির আগেই এর প্রতিটি গান সাঁড়া ফেলে দিয়েছিল সারা বাংলায়!

আজও বাংলার অলিতে-গলিতে এই সিনেমার গান বেজে যাচ্ছে, ইউটিউবে কোটি কোটি ভিউ অতিক্রম করছে, তারই সাথে জানান দিচ্ছে তার কালজয়ী ভাবধারাকে!

এই সিনেমার প্রতিটি গান তুমুল জনপ্রিয়! যেমন—
১! “ভাল আছি ভাল থেকো,
আকাশের ঠিকানায় চিঠি লিখ!”
২! “বাজারে যাচাই করে দেখিনি তো দাম,
সোনা কিনিলাম নাকি রূপা কিনিলাম,
ভালবেসেছো বলে ভালবাসিলাম!”
৩! “তোমাকে চাই শুধু তোমাকে চাই,
আর কিছু জীবনে পাই বা না পাই!”
৪! “আমার নাকেরি ফুল বলে রে তুমি যে আমার,
আমার কানেরি দুল বলে রে, তুমি যে আমার!
৫! “তুমি আমায় করতে সুখী জীবনে,

সিনেমার BGM মন ছুঁয়ে যায়! আর হ্যাঁ-১৯৯৬ সালে মুক্তি পাওয়া এই সিনেমার পর সালমান শাহ-শাবনূর জুটি অপ্রতিদ্বন্দ্বী জুটি হিসেবে প্রতিষ্ঠিত হয়ে যায়! আজও এই জুটির সিনেমা নিয়ে চর্চা করলে ‘তোমাকে চাই’ সিনেমাটি সবার শীর্ষেই অবস্থান করে!

যারা অসাধারণ গানের সাথে কিছু রোমান্স-কাব্যের স্রোতে নিজেকে কিছুটা সময় ভাসিয়ে দিতে চান, তারা দেখে নিতে পারেন এই কালজয়ী সিনেমাটি!

Add a Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *