ভাইকিংস এর প্রথম ৪ টা সিজন অসাধারন

গল্পটা একজন কৃষক র‍্যাগনার লথব্রক ও তার ছেলেদের দুঃসাহসিক অভিযান নিয়ে। র‍্যাগনার লথব্রোক একজন কৃষক,ডাকাত এবং অসাধারণ যোদ্ধা।বছরের নিদিষ্ট সময়ে তারা অন্য দেশে গিয়ে আক্রমণ করে এবং লুটপাট করে ফিরে আসে। গল্পটা একজন সাধারণ কৃষক থেকে এমন একজন হয়ে উঠা যাকে প্রজন্মের সকলেই সেরা মানে এমন একজনকে নিয়ে।

  • ভাইকিংস (২০১৩-২০২০)
  • ভাষাঃ ইংলিশ (ইসাব, বিসাব,হিন্দি ডাব)
  • জনরাঃঅ্যাকশন,অ্যাডভেঞ্চার,ড্রামা,হিস্টোরি,রোমান্স,ওয়ার।
  • আইএমডিবিঃ৮.৫/১০
  • পার্সোনাল রেটিংঃ৮/১০ (১-৪ সিজন পর্যন্ত ৯)

র‍্যাগনারের সবসময় স্বপ্ন ছিলো এমন একটা উর্বর জমি খুজে বের করা যেখানে সবকিছুই চাষাবাদ করা যাবে। ভাইকিং যোদ্ধারা সমুদ্রপথে যাত্রা করে আশেপাশে থাকা অন্য দেশগুলো লুটপাট করতো।কিন্তু তাদের মধ্য কেউ কখনও সমুদ্রের পশ্চিমে যাত্রা করেনি।

র‍্যাগনার এবার পশ্চিম্বের দিকে যাত্রা করতে চায়, কারণ সে এক ভবঘুরের থেকে শুনেছিলো যে পশ্চিমের মানুষের অনেক ধনী হয়,সেখানে অনেক বেশী লুটপাট করা যাবে।

র‍্যাগনার লোথব্রক ঠিক করলো পশ্চিমে যাত্রা করবে

কিন্তু রাজা তাকে পশ্চিমে যাত্রা করার অনুমতি দিলো না। কারণ পশ্চিমের যাত্রা ছিলো সম্পূর্ণভাবে অনিশ্চিত। তারা কখনও ফিরে আসতে পারবে কি না অথবা আধো সেখানে কোনো ভূমি আছি কি না তা তাদের জানা ছিলো না।

কিন্তু তবুও র‍্যাগনার তার বন্ধু ফ্লোকির সাহায্য নিয়ে একটি জাহাজ তৈরি করে, এরপর র‍্যাগনার তার ভাই রোলো এবং বন্ধু ফ্লোকিসহ আরো বিশ্বস্ত কয়েকজন যোদ্ধা নিয়ে রাজার অনুমতি ছাড়াই পশ্চিমের দিকে যাত্রা করে এবং আবিস্কার করে বসলো ইংল্যান্ড। সেখান থেকেই র‍্যাগনার এর জয়ের যাত্রার শুরু।

ভাইকিংস এর প্রথম ৪ টা সিজন অসাধারন।৫/৬ সিজন হতাশ করছে বাট নতুন সিজন ৬ এর সেকেন্ড পার্ট ভালো করছে ৫/৬ এর থেকে। কিন্তু শেষের ২ টা সিজন আর ফিনিশিং মনের মতো না হলেও ভাইকিংস সিরিজটা প্রিয় সিরিজ হিসেবে থাকবে। র‍্যাগনার লোথব্রোক চরিত্রে অভিনয় করা Travis Fimmel সব সময়ের জন্য প্রিয় অভিনেতা হিসেবে থাকবে।

পরিশেষে বলবো যারা একশন বা ওয়ার পছন্দ করেন তাদের জন্য এটা মাস্টওয়াচ সিরিজ কারন ভাইকিংস এর মতো এত দুর্দান্ত একশন অন্য কোথাও পাইনি।আমার দেখা বেষ্ট একশন সিরিজ 🔥

বিপ্লব : নব্বইয়ের নতুনত্ব *

পূর্বের লং লিখা থেকে এডিটেড

এইতো ২০১৯ বছরের ঈদে pendrive-password কেন্দ্র করে নির্মান হলো আধুনিক মানের বাংলা সিনেমা। আর নব্বই দশকে শহিদুল ইসলাম খোকন ‘লকেট’ কেন্দ্র করে নির্মাণ করেছিলেন ‘বিপ্লব- symbol of new generation, যে সিনেমায় সেই সময়ের প্রজন্মরা দেখেছে প্রযুক্তির নতুন ছোয়া! সাথে মার্শাল আর্ট, সব মিলিয়ে ছিল জমজমাট। হলপ করে বলা যায়, এ সিনেমা সকল দর্শকদের বাহবা পেয়েছে।
পরিবার-ত্যাগ, প্রতিশোধ নিয়ে এই সিনেমার গল্প, মূলভাব ফুটে উঠেছে দেশপ্রেমের। গল্পে প্রবীর মিত্রকে দেখা যায়, খলিলের আন্ডারওয়ার্ল্ডের এক সৈন্য, তবে দেশের জন্য ক্ষতিকর এমন information উদ্ধার করাই ছিলো তার মূল লক্ষ্য। কাজটা করতে গিয়ে একটা সময় ধরা পরে যায়, কিন্তু দেশকে নিরাপদে রেখেছে তার আগেই!
সেটা হলো – গোপনীয়তায় তথ্য print করে ছেলের লকেটে কোড করে রাখে। ধরা পরার পর প্রবীর মিত্রকে টর্চার করা হয় কিন্তু মুখ খুলতে নারাজ সে। পরিবার এর জন্য বাবা সব করতে পারে, কিন্তু ভাগ্যক্রমে বাবা আজ নেই, এজন্য পরিবারে বড় ছেলে রুবেলের কাধে দায়িত্ব আসে। শুরু হয় নতুন revolution…

রুবেলকে এই সিনেমায় প্রথমত গ্রাম্য যুবক চরিত্রে দেখা গেছে

মাথায় all-time গামছা পরে থাকে! আবার একটি সিকোয়েন্সে যখন রুবেলকে গাছে বেধে অত্যাচার করা হয়, তখন ‘ন্যারা’ লুকেও দেখা যায়! সেখান থেকে তার চরিত্রে পরিবর্তন আসে, সিনেমাজুড়ে রুবেলের অভিনয় -ডায়লগ ডেলেভারি দারুণ ছিল। ভাইয়ের সাথে আদরের কথায় ‘তোর মত ছোট ভাই নাই ভুবনে, তোকে ছাড়া আমি বেঁচে রব কেমনে’ গানটা সুন্দর।
একটা সময় গল্পে সিরাজ পান্নার entry হয়, তিনি যোগ দেওয়ার পর সিনেমা আরো উপভোগ্য হয়ে উঠে। সিরাজ পান্না যখন রুবেলকে আর্ট শেখাচ্ছিলো, অই মূহুর্তে হংকং এর বিখ্যাত সিনেমা ‘snake in the eagle shadow’র জ্যাকি চ্যান আর গ্র্যান্ড মাস্টারের কথা মনে পরে যাবে অনেকের! সিরাজ পান্নার সাথে কয়েকজন গুন্ডার সাথে ফাইটিং দৃশ্যগুলোও দারুন, একসময় তার মৃত্যু হলে তার দেহের উপর জাতীয় পতাকা উড়ে এসে পরে। এই শটটা বেস্ট লেগেছে!
Shirtless শরীরে রুবেল, জিন্স প্যান্ট আর পায়ে বুট, ড্যানি সিডাকের সাথে মার্শালগুলো শৈশবে যেন চোখের পলক পরতো না, আজ মিস করি সেই দিনগুলো। যখন রুবেলকে গাছে বেধে অত্যাচার করা হয়…..!!

Add a Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *