গণনায় সামান্য একটু গড়মিল হলেই পুরো অংক ভেস্তে যাবার সম্ভাবনা থাকে

তৎকালীন সমাজ ব্যবস্থার গায়ে বড় বড় হরফে লেখা বর্ণবাদ ও পৃথকীকরণের মতো নির্মম বাস্তবতার আড়ালে লুকিয়ে থাকা নির্মল বন্ধুত্বের ও দৃষ্টান্তমূলক মানবতাবাদের রূপরেখা ফুটিয়ে তোলার মধ্যদিয়ে গল্পটা ২ ঘন্টা ০২ মিনিট দীর্ঘায়িত হয়েছে।

মুভিটার প্লট নিয়ে কথা বলতে গেলে, তাহলে প্রথমে বলতে হবে, মুভিটাকে কারো কারো কাছে একদম সাদাসিধা গল্পের সিনেমা বলে মনে হতে পারে। আবার কেউ এ সিনেমার গল্পের সঠিক মর্মার্থ উপলব্ধি করার পর একে অসামান্য সিনেমা বলেও দাবি করতে পারেন।

আমি ব্যক্তিগত ভাবে ‘গ্রিন বুক’ সিনেমাটিকে সরল অংকের সাথে তুলনা করব। ছোট বেলায় সরল অংক কথাটা শুনে যতটা সরল মনে করছি কিন্তু সত্যিকার অর্থে অংক করতে গিয়ে ততটা সহজ ভাবে করতে পারি নাই। ঠিক একই নীতি সিনেমার কাহিনীর ক্ষেত্রেও বিদ্যমান।

  1. The Green Book(2018)
  2. Biography, Comedy, Drama
  3. ImDb: 8.2/10

২০১৯ সালে মুভিটা অস্কার লাভ করে

মুভিটি একজন পিয়ানিস্টের একটি কনসার্ট ট্যুরকে কেন্দ্র করে গড়ে উঠেছে। আর তার সম্পূর্ণ ভ্রমণে ফ্রাঙ্ক ভালেলঙ্গা টনি নামের এক ইতিলিয়ান-আমেরিকান লোক সঙ্গী হিসেবে ছিলেন। যদিও টনি প্রথমেই ড্রাইভার হিসাবে নিযুক্ত হন।কিন্তু পরবর্তীতে তাদের দুজনের মধ্যে গড়ে উঠে এক নিবিড় বন্ধুত্ব।

আজ কোন সিনেমা নয়, একজন অভিনেত্রী কে নিয়ে কথা বলব। খুব অল্প সময়ে মধ্যে কোটি দর্শকের মনে দাগ কেটে হটাৎ করেই মাত্র ১৯ বছর বয়সে পৃথিবীর মায়া ছেড়ে পারাপারে পাড়ি জমান তিনি।

১৯৯০ সালে তেলুগু বব্বিলি রাজা চলচ্চিত্রে অভিনয়ের মাধ্যমে তার চলচ্চিত্র কর্মজীবন শুরু হয়। এরপর ১৯৯২ সালে বিশ্বআত্মা চলচ্চিত্রে অভিনয়ের মাধ্যমে হিন্দি চলচ্চিত্রে অভিনয় শুরু করেন।

ভারতী শোলা অর শবনম (১৯৯২) এবং দিওয়ানা (১৯৯২) চলচ্চিত্রের মাধ্যমে বাণিজ্যিক সাফল্য লাভ করেন, এবং যার জন্যে শ্রেষ্ঠ নবাগত অভিনেত্রী বিভাগে ফিল্মফেয়ার পুরস্কার অর্জন করেন।

১৯৯২ এবং ১৯৯৩-এর প্রথমার্ধে তিনি ১৪টি হিন্দি চলচ্চিত্রে অভিনয় করেন, যা আজ পর্যন্ত বলিউডে অভিষেক হিসেবে তার রেকর্ড হয়ে আছে। মাত্র ১৯ বছর বয়সে এপ্রিল ৫, ১৯৯৩ সালে,ভারসোভা, মুম্বই তার ৫ তলা অ্যাপার্টমেন্ট থেকে নিচে পড়ে মৃত্যুবরণ করেন।

এতক্ষণ যার কথা বলছি, তিনি আর কেউ নন, দিব্যা ভারতী

এখনও আমরা “সাত সামুন্দার পার কে মে…… কিংবা ” অ্যাসি দিবান’গি মেনে দেখি নেহি….” কিংবা “মিলনে কে তুম কৌসিস কর না…..” গান গুলো গুণগুণ করে গায়।

রূপে ও গুণে তিনি মাত করেছিলেন ভারতীয় সহ বাংলাদেশিদের কে। বিখ্যাত প্রডিউসার সাজিদ নাদিয়াওয়ালা সাথে তিনি বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ হন। এবং এক সন্ধ্যায় তার ফ্লাট থেকে পড়ে গিয়ে মৃত্যুবরণ করেন। তার মৃত্যু নিয়ে রহস্য থেকেই গেছে।

কারো মতে, তিনি আত্মহত্যা করেন, আবারো কেউ বলেন, অতিরিক্ত মদ পান করে পা হড়কে পড়ে না জানালা ভেঙে, আরেকটা গুজব তার স্বামী তাকে মেরে ফেলে দিয়েছিল. মৃত্যু নিয়ে রহস্য থাকলেও তার জনপ্রিয়তা ও সৌন্দর্য নিয়ে কোন সন্দেহ ছিল না।

  • 🔥🔥স্পয়লার অ্যালার্ট🔥🔥
  • Anime name:- Akame Ga Kill (summer 2014)
  • My Amine List:-7.56/10
  • IMDB:- 7.9/10
  • personal:- 9/10
  • Studios:- White Fox

কি নেই এনিমেতে! action, drama, romance, adventure, fantasy, family সবমিলিয়ে একটা মাস্টারপিস🔥 এই এনিমে একটি মাএ সিজন বের হয়েছে ২৪ টা এপিসোড সহ…….সিজন ২ আসার সম্ভাবনা আছে! এই এনিমের মাঙ্গা on going। এনিমিতে প্রতিটি ক্যারেক্টারের ব্যাক স্টোরি দেখানো হয়েছে এবং ক্যারেক্টার ডেভেলপমেন্ট খুবেই ভালো ছিলো।

ইংলিশ সাব,ডাব এবং বাংলা সাব সহ পেয়ে যাবেন

এনিমের প্লট তাতসুমি নামের একজন ইয়ং ফাইটার কে নিয়ে! তাতসুমি তার গ্রাম কে বাঁচানোর জন্য তার দুই জন বন্ধুকে নিয়ে ক্যাপিটেলের উদ্দেশ্যে রওনা দেয়, রাস্তায় ডাকাতদের পাল্লায় পড়ে ফাইট করতে করতে তারা একজন অন্যজনের সাথে বিছিন্ন হয়ে পড়ে।

এরপর তাতসুমি অনেক কষ্ট করে ক্যাপিটাল পৌছায়, যেখানে একটি মেয়ের সাথে দেখা হয় যে তার সব লুট করে নেয়! তাতসুমি রাস্তায় রাত কাটানোর সিদ্ধান্ত নেয়, ঠিক ওই সময় এক রিচগার্লের সাথে তাতসুমির দেখা হয়।রিচগার্ল ও তার পরিবার তাতসুমিকে বাসায় আশ্রয় দেয়.

তাতসুমি তাদের সব ঘটনা খুলে বলে এবং কেনো সে এখানা এসেছে তাও বলে। ওই রাতেই সেই পরিবারের উপর নাইট রেইড হালমা করে এবং সবাইকে হত্যা করে। নাইট রেইড হলো ওই শহরের সিরিয়াল কিলার গ্রুপ, তারা এই ক্যাপিটেলের বিরুদ্ধে, তারা শহরের গভঃ পদধারী লোকদের টার্গেট করে!

নাইট রেইডের সবার কাছে আছে ইম্পেরিয়াল আর্মস

তো আমাদের মেইন ক্যারেক্টার তাতসুমি রিচগার্লকে বাঁচাতে নাইট রেইডের বিরুদ্ধে ফাইট করে। কিন্তু- কিন্তু-কিন্তু হঠাৎ এক অবিশ্বাস্য সত্যের মুখোমুখি হয়ে তাতসুমি রিচগার্লকে নিজহাতে হত্যা করে এবং নাইট রেইডে জয়েন হয়ে ক্যাপিটেলের বিরুদ্ধে চলে যায়…….

তাতসুমি কেন মেয়েটিকে হত্যা করলো, কেনো সে ক্যাপিটেলের বিরুদ্ধে গিয়ে নাইট রেইডে জয়েন করলো! কি এই ইম্পেরিয়াল আর্মস!
এই সবকিছুর উওর জানতে আপনাকে এই মাস্টারপিস এনিমে দেখতে হবে।

বিঃদ্রঃ- থিম সং সহ পুরো এনিমে ডার্ক! এই এমিনে দেখার পর অবশ্যই ভালো কিছু ফানি /কমেডি মুভি বা অন্য কিছু দেখবেন, নাহলে আমার মতো ডিপ্রেসড হয়ে যাবেন। এটি আমার ফাস্ট এনিমে রিভিউ ভুল এুটি হলে ক্ষমাসুন্দর দৃষ্টিতে দেখবেন🙂
কষ্টকরে পড়ার জন্য ধন্যবাদ।

Add a Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *