এই মুভিটি সত্য কাহিনীর অবলম্বনে নির্মিত করা হয়েছে

এদেশের অধিকাংশ মানুষই হলো সাধারণ জনতা বা কমন মেন।লাল বিহারি ও এমনই এক সাধারণজনতা। হয়তোবা সে সাধারণ জনতাই থাকতো যদি না তার স্বার্থ এর সাথে দেশের সিস্টেম সংঘর্ষ না বাধাঁতো। আমার মতে,”এই ডায়ালগ টাই পুরো মুভির স্পয়লার হিসেবে যথেষ্ঠ হবে”।

  • জনরা:বায়োগ্ৰাফি
  • কমেডি ড্রামা
  • রিলিজ ডেইট:৭ই জানুয়ারি,২০২১ ইং
  • আইএমডিবি রেটিং:৮,৩/১০
  • পার্সোনাল রেটিং:৯/১০

কাহিনী সংক্ষেপে

মুভির শুরুর দিকেই আমরা লাল বিহারী নামক এক বাজনাওয়ালার সাথে পরিচিত হই। সদ্য বিবাহিত বিহারী নিজের স্ত্রীর পরামর্শে ব্যাংকে ঋণ নিতে যায় নিজের ব্যবসা বড় করার আশ্বাস নিয়ে!!

তবে, ঋণের জন্য বন্দক হিসেবে যখন জমির দলিলপত্র ভূমি অফিস আনতে যায়, তখনই ঘটে বিপত্তি;) বিহারী জানতে পারে, সে বহু আগেই মারা গেছে, সরকারি কাগজের হিসাবে।

পরে সে জানতে পারে, তার ভাইয়েরা তার বরাদ্দকৃত জমি হাতিয়ে নিয়েছে তাকে মৃত প্রমাণ করে। এখন জিন্দা লাশ হয়ে যাওয়া বিহারী কিভাবে কাগজে প্রমাণ করবে যে, সে জীবিত তা নিয়েই কাহিনী এগোতে থাকে সামনের দিকে!!!

কেমন ছিল ভারতবর্ষের বহুল প্রতীক্ষিত মুভি কেজিএফ চ্যাপ্টার ২ এর টিজার?আজ সাউথের কন্নড় ইন্ডাস্ট্রির রকিং স্টার ইয়াশের জন্মদিন উপলক্ষে দর্শকদের সারপ্রাইজ হিসেবে ইউটিউবে উন্মুক্ত করা হয়েছে।

ইউটিউবে হিউজ রেসপন্স

কেজিএফ চ্যাপ্টার ১ রিলিজ হ‌ওয়ার পর থেকেই অন্যরকম একটা হাইপ উঠে যায় সমগ্র ভারতবর্ষে তাই তো চ্যাপ্টার ২ এর জন্য অধীর ভাবে অপেক্ষায় রয়েছে ভারত সহ বিভিন্ন দেশের দর্শকরা।

অলরেডি ইউটিউবে হিউজ রেসপন্স কিন্তু মূল কথা টিজার কেমন ছিল? আমি প্রথমে ফ্যানমেইড টিজার ভেবেছিলাম পরে দেখি না এটাই অফিশিয়াল,,টিজারে যতটুকু বুঝলাম মুভির লোকেশন,বিজিএম,অ্যাকশন বরাবরের মতো অসাধারণ হবে।

কিন্তু খাপছাড়া লেগেছে মেশিন গান দিয়ে গাড়ি গুলো উড়ানো টা যা সচারাচর টিপিক্যাল মুভি গুলো তে দেখা যায় আবার ইয়াশ মেশিন গান থেকে সিগারেট লাগানো মূহুর্তে এক্সেপ্রেশন ভালো ছিল কিন্তু এমনটা না করলেও পারতো।তবে কেজিএফ দিয়ে কন্নড় ইন্ডাস্ট্রি ভালো একটা অবস্থান তৈরি করে ফেলবে ভারতবর্ষে।
শুভ জন্মদিন রকিং স্টার ইয়াশ🎉

  • The Wind That Shakes The Barley
  • Genre: War,Drama
  • IMDB:7.6
  • Country: Ireland
  • The wind that shakes the barley

এটা একটি আইরিশ সিনেমা। আইরিশদের ওপর বৃটিশ পুঁজিপতি আর্মিদের অত্যাচার, ভুমি অধিগ্রহণ আর যুদ্ধকে কেন্দ্র করেই ফিল্মের মুল বেইস। যারা এর আগে Nightingale সিনেমাটা দেখেছেন এটাও তাদের কাছে ভালো লাগবে আশাকরি।

এখানে কাহিনির মুল কেন্দ্র বিন্দুতে থাকছে কিছু আইরিশ গেরিলা যাদের প্রধান ছিল O’connell, O’connell বৃটিশদের পুঁজিবাদী সাম্রাজ্যের ওপর নিজের দেশের স্বাধীনতায় বিশ্বাসী ছিল।

আইরিশ গেরিলা ও রিপাবলিকান সংস্থা

সময়টা উনিশ্য বিশ সাল হবে সে সময় আয়ারল্যান্ড এর প্রত্যন্ত গ্রাম গুলিতে পর্যন্ত বৃটিশদের অত্যাচার অনেকটাই বেড়ে গিয়েছিল। ইংলিশদের এই অত্যাচার রুখতে অভ্যুত্থান ঘটে আইরিশ গেরিলা ও রিপাবলিকান সংস্থা ira এর। O’connell এই আইরিশ রিপাবলিকের একজন নেতা ছিল তার কাজ ছিল গেরিলাদের ট্রেনিং দেয়া মানে যুদ্ধ শেখানো কিন্তু বৃটিশদের বিরুদ্ধে লড়তে যে পরিমাণ অস্ত্রের প্রয়জোন সেই পরিমাণ অস্ত্র ও অর্থ তাদের ছিলনা অবশেষে গ্রামের ধনি কিছু ব্যাক্তি অস্ত্র কিনতে তাদের অর্থ দেয়া শুরু করে। শুরু হয় গেরিলা ট্রেনিং অত:পর যুদ্ধ।

অলিতে গলিতে গ্রামে শহরে যেখানেই বৃটিশ সেনা পেতো তাদের রক্ষা ছিলোনা। এখানে খুব ঘন ও লম্বা যুদ্ধ দেখানো হয়নি বরং মুল যে জিনিসটা ছিল তা হল বৃটিশদের বিরুদ্ধে শক্তি ও বুদ্ধি এই দুটো জিনসকে কাজে লাগিয়ে স্বাধিনতা জয় করা। কিন্তু বৃটিশরা নোংরা রাজনিতির দিক দিয়ে সব সময় এক ধাপ এগিয়ে। এরকমি দাও পেচ,রাজনিতিক ষড়যন্ত্র আর থেমে থেমে যুদ্ধ নিয়ে সিনেমাটি বেশ উপভোগ করার মত ছিল।

বিশেষ করে এখানে O’connell ও তার সংগিদের সাথে যা ঘটেছিল তা একেবারে ধারনার বাহিরে ছিল। রাজনিতি যে কত খারাপ জিনিস এই সিনেমা দেখলে বুঝবেন পাশাপাশি ending টাও বেশ heart breaking ছিল। একশনের কোন কমতি ছিলনা। সব মিলিয়ে সব কিছু বেশ উপভোগ করার মত ছিল। আশাকরি সবার ভালো লাগবে।

সিরিজটা একই নামের WebToon থেকে এডাপ্টেড। তো দেখার সময় চেষ্টা ছিল WebToon-এর সাথে তুলনায় না যাওয়ার-তবে সিরিজটা দেখাই মূলত WebToonটার কারণে… তো তুলনা আসছেই মাথায়, আর এই লেখাটা দুটোর তুলনা করেই।

কথপোকথনের মাঝ থেকে অনেক লাইন কেটে নেয়া হয়েছে- যে কারণে অনেকটা গভীরতা হারাচ্ছিল (এমনিতে এটা তুলতাম না-পুরোপুরি লেখা তুলে ধরা সম্ভব না, তবে শুরুর পর্বগুলোর অনেকখানি সময় B-rollএ নষ্ট করেছে ।

যেটা বিরক্তি বাড়াচ্ছিল

দুটোতেই linear-nonLinear storytelling এর মিশ্রণ ছিল। তবে WebToonএ প্রথমে কেন্দ্রীয় চরিত্রকে ফলো করা হয়েছে- সেখান থেকে একেকজন চরিত্রের সাথে পরিচয় করিয়ে তাদের মাধ্যমে বাকিদের… তো সেখানে প্রসেস করার জন্য যথেষ্ট সময় ছিল- তবে সিরিজে এত কিছু হচ্ছিল “too much happening to process, everything is all over the place.” অন্তত প্রথম দুই-তিন এপিসোডে।

এটাও সত্যি ছোটো ছোটো পর্ব হওয়াতে সেখানে কনটেক্সট সুইচের অনেকটা জায়গা ছিল which worked really well- সিরিজটাতে যে ফ্লেক্সিবিলিটি ছিল না)
তবে অর্ধেকের পর বেশ ভালো গ্রিপ পেয়ে গেছে। মানে প্রথম তিন/চার পর্বের জন্য আমি ১০এ ৩ ভাবছিলাম-যেটা সিরিজ শেষে ৭/৮ এ এসে দাঁড়িয়েছে(এখন সেটা

WebToonটার শেষ অংশটুকু না পড়ায় হোক আর সিরিজটা তিনভাগে- তিনদিনে দেখার কারণেই হোক)

আরেকটা দিক হচ্ছে ইস্টার্ন বনাম ওয়েস্টার্ন স্টোরিটেলিং এর কাহিনী (যদিও টিম কোরিয়ানই- কিন্তু প্ল্যাটফর্ম বিচারে কিছুটা হলেও পরিবর্তন আনতে হয়েছে…)। WebToonএ শুরুতেই Internal struggleএ অনেকটা ফোকাস দেয়া হয়েছে- যে কারণে WebToonটা আমার প্রিয়। তবে সিরিজে যেটার কমতিটা মোটামুটি সাধারণ apocalyptic movie এর মতো মনে করাতে বাধ্য করাচ্ছিল…

সিরিজটা খারাপ মনেহয় নি- তবে পড়ার অভ্যাস থাকলে WebToonটা সাজেস্ট করব। (WebToon app এ আছে, প্রতিদিন দুটো করে এপিসোড ফ্রি আনলক করা যাবে…)

Add a Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *